1. [email protected] : Admin :
বাংলাদেশের গ্যাসের চাহিদা মেটাতে ওমান ব্যাপক অবদান রাখছে - Welcome
বৃহস্পতিবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশের গ্যাসের চাহিদা মেটাতে ওমান ব্যাপক অবদান রাখছে

  • টাইম আপডেট : বুধবার, ১৮ মে, ২০২২
  • ১৩৭ কত বার দেখা হয়েছে

দেশের শিল্প, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক এলাকায় প্রাকৃতিক গ্যাস জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। গ্যাস ছাড়া এসব প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ অকেজো বলা চলে। বলা যায়, দেশের অর্থনীতি গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল। গ্যাসের কথা বলতে গেলে আমাদের মনে কিছু প্রশ্ন আসে। আর তা হলো- আমরা যে গ্যাস ব্যবহার করি তা কি দেশ থেকে উত্তোলন করা হয়? অথবা দেশের বাইরে থেকে আমদানি করা। যদি কোন দেশ থেকে আমদানি করা হয় এবং কত?

শুরুতেই কিছু তথ্য দিয়ে রাখি, আমাদের দেশে গ্যাসের চাহিদার ৮০ শতাংশই মেটানো হয় দেশীয় খনি থেকে। বাকি ২০ শতাংশ পূরণ হয় আমদানির মাধ্যমে। আমদানিকৃত গ্যাসকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি বলা হয়। এই এলএনজি দুটি দেশ থেকে আমদানি করা হয়। একটি কাতার এবং অন্যটি ওমান। প্রশ্ন হলো- দেশে যে পরিমাণ গ্যাস আমদানি হয় তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

আগেই বলেছি, কাতার ও ওমান থেকে আমদানি করা গ্যাসের গুরুত্ব অনেক বেশি। কারণ দেশের মোট গ্যাস সরবরাহের ৯০ শতাংশই স্পট মার্কেট বা খোলা বাজার থেকে আমদানি করা হয়। মূল্যবৃদ্ধির কারণে এ পরিমাণ গ্যাসের ঘাটতি হলে জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলাকে হিমশিম খেতে হবে। এমনকি রাজধানীসহ দেশের গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে। তাহলে বুঝবেন ২০ শতাংশ গ্যাস কতটা গুরুত্বপূর্ণ!
রাষ্ট্রীয় চুক্তির মাধ্যমে ২০ শতাংশ গ্যাস আমদানি করা হয় কাতার ও ওমান থেকে। এর মধ্যে 12 শতাংশ আসে কাতার থেকে এবং বাকি 8 শতাংশ আসে ওমান থেকে। দেশটি 2026 সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে এই গ্যাস রপ্তানি করবে। রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি ট্রান্সফর্মড ন্যাচারাল গ্যাস লিমিটেড বা আরপিজিসিএল দেশে এলএনজি তত্ত্বাবধানের জন্য দায়ী।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ওমান ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল বা ওকিউ ট্রেডিং লিমিটেডের সঙ্গে প্রতি বছর বাংলাদেশে ১ থেকে দেড় লাখ টন গ্যাস রপ্তানির চুক্তি রয়েছে। 8 মে, 2016 তারিখে, কোম্পানিটি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তির আওতায় দেশটি এ পর্যন্ত ৬৩টি এলএনজি কার্গো সরবরাহ করেছে। এর মধ্যে 2019 সালে 20টি কার্গো, 2020 সালে 28টি, 2021 সালে 24টি এবং 2022 সালের মার্চ পর্যন্ত 3টি কার্গো সরবরাহ করা হয়েছে। তবে এই বছর দেশটির 18টি পণ্য সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
দেশে গ্যাসের দৈনিক চাহিদা ৩৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। কিন্তু সরবরাহ তিন হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। লাইক এর মধ্যে কাতার ও ওমান থেকে আমদানি করা ৬০০-৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করা হচ্ছে। তাই চাহিদার চেয়ে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে। কাতার বা ওমান থেকে সরবরাহের ঘাটতি হলে দেশের পরিস্থিতি কী হবে তা সহজেই অনুমেয়। এ অবস্থায় ওমান থেকে যে পরিমাণ গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে তা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা সহজেই অনুমেয়।

Source link

নিউজটি শেয়ার করুন সোশ্যাল মিডিয়াতে..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরণের আরো খবর জানতে..
© All Rights Reserved © 2022 www.dailyprobash.com
Bangla News DailyProbash.com